HSC 2025 Mymensingh Board Bangla 2nd Paper Question & answer
এইচএসসি ২০২৫ ময়মনসিংহ বোর্ড বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন ও উত্তর টেক্সট আকারে সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া হলো।
এইচএসসি ২০২৫ ময়মনসিংহ বোর্ড বাংলা ২য় বোর্ড প্রশ্ন (ব্যাকরণ অংশ)
ক বিভাগ ব্যাকরণ
মান ৩০
১। ক) ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
অ-ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম:
১. শব্দের আদ্য ‘অ’-এর পরে য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে ‘অ’-এর উচ্চারণ সাধারণত ‘ও’-এর মতো হয় হয়।
যেমন: গদ্য (গোদ্ দো), কল্যাণ (কোল্ লান্)/(কোল্ ল্যান্)
২. আদ্য ‘অ’-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে ‘অ’-এর উচ্চারণ ‘ও’-এর মতো হয়।
যেমন: দক্ষ (দোক্ খো), লক্ষণ (লোক্ খোন্)।
৩. মধ্য ‘অ’-এর আগে যদি ‘অ’ থাকে তবে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়ে থাকে। যেমন: যতন (জতোন্), কমল (কমোল]।
৪. মধ্য ‘অ’-এর আগে ‘আ’ থাকলে সেই মধ্য ‘অ’-এর উচ্চারণ ও-এর মতো হয়।
যেমন: কানন (কানোন্), ভাষণ (ভাশোন্)।
৫. শব্দের শেষে যুক্তব্যঞ্জন থাকলে শেষের ‘অ’ সাধারণত ও-রূপে উচ্চারিত হয়।
যেমন: বক্ষ (বোক্ খো), শক্ত শক্তো।
অথবা, খ) যে-কোনো পাঁচটি শব্দের উচ্চারণ লেখ: ০৫
একাডেমি=>অ্যাকাডেমি
গ্রীষ্মকাল=>গ্রিশ্ শোঁকাল্
জিহ্বা=>জিউভা
উহ্য=>উজ্ ঝো
অনিঃশেষ=>অনিশ্ শেশ্
সমন্বয়=>শমন্ নয়্
ব্রাহ্মণ=>ব্রাম্mhoন/ব্রাম্ হোন্
\nউন্মাদ=>উন্ মাদ্
২। ক) বাংলা একাডেমি প্রণীত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে অ-তৎসম শব্দের যে-কোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখ।
‘অ-তৎসম’ শব্দের বানানের পাঁচটি নিয়ম:
ক. অ-তৎসম শব্দের বানানে ‘ণ’ ব্যবহার করা হবে না। যেমন: কান কোরান, গভর্নর ইত্যাদি।
খ. বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে ‘ষ ব্যবহার হয় না। যেমন: কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, বেহেস্ত, শখ ইত্যাদি।
গ. হস-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হয়ে থাকে। যেমন: কলকল, কাত, ঝরঝর করলেন, চট, জজ ইত্যাদি।
ঘ. ঊর্ধ্ব-কমা যথাসম্ভব বর্জন করা হবে। যেমন: বলে, হয়ে, চাল, দুজন ইত্যাদি।
ঙ. বাংলায় বিদেশি শব্দের আদিতে বর্ণবিশ্লেষ সম্ভব নয়। এগুলো যুক্তবর্ণ দিয়ে লিখতে হবে। যেমন: স্টেশন, স্ট্রিট, স্প্রিং।
অথবা, খ) যে-কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখ:
অশুদ্ধ বানান => শুদ্ধ বানান
লজ্জাস্কর =>লজ্জাকর
শিরচ্ছেদ=>শিরশ্ছেদ
বিভিষীকা=>বিভীষিকা
জিবীকা =>জীবিকা
সাতন্ত্র=>স্বাতন্ত্র্য
অধ্যাবসায়=>অধ্যবসায়
ইতিমধ্যে=>ইতোমধ্যে
সম্বর্দ্ধনা=>সংবর্ধনা।
৩। ক) বিশেষ্য কাকে বলে? উদাহরণসহ বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।
বিশেষ্য:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন- নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি।
বিশেষ্যের শ্রেণিবিভাগ:
বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য
এবং ৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।
১. নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়। যেমন-
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম:সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।
২. জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন- মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।
৩. বস্তু-বিশেষ্য:
কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন- ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য:
এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন- জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।
৫. গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন- সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন- পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি
অথবা, খ) নিম্নরেখ যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ কর: ৫
i) আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।
ii) হে বন্ধু, বিদায়।
iii) কাকডাকা ভোরে তার ঘুম ভেঙে গেল।
iv) ফুল কি ফোটেনি শাখে?
v) নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি।
vi) বিপদ কখনও একা আসে না।
vii) বেশ, তাই হবে।
viii) চাহিয়া দেখিলাম– হঠাৎ কিছু বুঝিতে পারিলাম না।
পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ করা হলো:
i) বিশেষণ
ii) আবেগ
iii) বিশেষণ
iv) ক্রিয়া
v) বিশেষণ
vi) বিশেষ্য
vii) আবেগ
viii) ক্রিয়া/যৌগিক ক্রিয়া
৪। ক) “উপসর্গের অর্থবাচকতা নাই; কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।” উদাহরণসহ, উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে তাকে উপসর্গ বলে।
উপসর্গের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, ‘এর কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।’ প্রত্যেকটি উপসর্গ মূলত এক ধরনের শব্দাংশ। এরা কোথাও পৃথকভাবে ব্যবহৃত হয় না, কিংবা এদের নিজস্ব কোনো অর্থও নেই। ধাতু বা শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে এরা মূল শব্দ বা ধাতুর অর্থের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংকোচন, সম্প্রসারণ বা তার পূর্ণতা সাধন করে। যেমন: ‘কার’ একটি শব্দ। এর সঙ্গে বিভিন্ন উপসর্গ যুক্ত হয়ে নানা নতুন শব্দ গঠিত হতে পারে-
উপসর্গ=মূল শব্দ=উপসর্গযোগে গঠিত সাধিত শব্দ
প্র+কার=>প্রকা
উপ+কার=উপকার
অধি+কার=অধিকার
অপ+কার=অপকার
বি+কার=বিকার
উপরের সাধিত শব্দগুলো থেকে প্র, উপ, অধি, অপ, বি উপসর্গগুলো পৃথক করলে তাদের আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না। কিন্তু অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওই শব্দগুলোকে নানা অর্থবৈচিত্র্য দান করেছে। এভাবেই নিজস্ব অর্থহীন উপসর্গ অন্য কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করতে পারে বলেই বলা হয়- উপসর্গের অর্থবাচকতা নেই; কিন্তু অর্থদ্যোতকতা আছে।
অথবা, খ) যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর: ৫
প্রদত্ত শব্দ = ব্যাসবাক্য = সমাসের নাম
=>দেশান্তর = অন্য দেশ = নিত্য সমাস =>কুসুমকোমল =কুসুমের ন্যায় কোমল = উপমান কর্মধারয় সমাস
=>বিষাদসিন্ধ = বিষাদ রূপ সিন্ধু = রূপক কর্মধারয় সমাস
=>যথারীতি = রীতিকে অতিক্রম না করে = অব্যয়ীভাব সমাস
=>দুধেভাতে = দুধে ও ভাতে = অলুক দ্বন্দ্ব
=>সলিলসমাধি = সলিলে সমাধি = সপ্তমী তৎপুরুষ
=>আশীবিষ = আশীতে বিষ যার = বহুব্রীহি সমাস
=>সপ্তাহ = সপ্ত অহের সমাহার = দ্বিগু সমাস।
৫। ক) বাক্য কাকে বলে? একটি সার্থক বাক্যের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। উদাহরণসহ লেখ। ৫
বাক্য:
যে পদ বা পদ সমষ্টি দ্বারা বক্তার পূর্ণ মনোভাব প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। যেমন: আমি একাদশ শ্রেণিতে পড়ি।
বাক্যের গুণ:
অর্থ স্পষ্ট হওয়ার জন্য আকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, সম্পূর্ণ-মনোভাব প্রকাশ এবং অর্থগত ও ভাবগত মেল বন্ধন হলো বাক্যের গুণ।
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক। যথা-
ক. আকাঙ্ক্ষা:
বাক্যের অন্তর্গত একটি পদের পর তার পরবর্তী পদ শোনার যে আগ্রহ তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। একটি সার্থক বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হয়। কোনো বাক্যে এই আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থাকলে তা বাক্য হিসেবে সার্থক হয় না। যেমন: ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বললে শ্রোতার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয় না কিন্তু ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ বললে শ্রোতার আর আকাঙ্ক্ষা থাকে না। সুতরাং ‘ঢাকা বাংলাদেশের’ বাক্য নয়, ‘ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী’ একটি সার্থক বাক্য।
খ. আসত্তি:
বাক্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসকেই আসত্তি বলে। বাক্যস্থিত পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ না হলে তাকে বাক্য বলা যায় না। যেমন: ‘সাদা বকের দল আকাশে উড়ছে।’ উল্লিখিত বাক্যে পদসমূহের বিন্যাস সুশৃঙ্খল বা যথাযথ হওয়ায় এটি একটি সার্থক বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই পদসমষ্টিকে যদি সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যাস না করে বলা হয়, ‘সাদা উড়ছে দল বকের আকাশে’ তাহলে আসত্তি গুণের অভাবে বাক্যটি সার্থক হবে না। তাই একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আসত্তি গুণটি থাকতে হবে।
গ. যোগ্যতা:
বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থ ও ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে যোগ্যতা বলে। একটি সার্থক বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে অর্থ ও ভাবগত অন্বয় রক্ষিত না হলে বাক্য তার যোগ্যতা হারায়। যেমন: ‘গরুগুলো আকাশে উড়ছে।’ বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা, এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু এর পরিবর্তে যদি বলা হয়, ‘পাখিগুলো আকাশে উড়ছে।’ তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি সার্থক বাক্য হয়ে উঠবে।
অথবা, খ) বাক্য রূপান্তর কর (যে-কোনো পাঁচটি):
প্রদত্ত বাক্য => বাক্যান্তর
i) সদা সত্য কথা বলা উচিৎ। (অনুজ্ঞা)
=>সদা সত্য কথা বলবে।
ii) আমাদের দেশ সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। (বিস্ময়বোধক)
=>বাহ্, কী সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশ।
iii) আমার পথ দেখাবে আমার সত্য। (জটিল)
=>যা আমার সত্য তা আমাকে পথ দেখাবে।
iv) যিনি জ্ঞানী, তিনিই সত্যিকার ধনী। (সরল)
=>জ্ঞানী ব্যক্তিই সত্যিকারের ধনী।
v) সাহিত্য জীবনের স্বাভাবিক প্রকাশ। (প্রশ্নবাচক)
=>সাহিত্য কি জীবনের স্বাভাবিক প্রকাশ নয়?
vi) অনুগ্রহ করে সব খুলে বলুন। (যৌগিক)
=>অনুগ্রহ করুন এবং সব খুলে বলুন।
vii) এ কথা স্বীকার করতেই হয়। (নেতিবাচক)
=>একথা স্বীকার না করে উপায় নেই।
viii) সত্য কথা না বলে বিপদে পড়েছি। (জটিল)
=>যেহেতু সত্য কথা বলিনি সেহেতু বিপদে পড়েছি।
৬। ক) যে-কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ:
অশুদ্ধ বাক্য => শুদ্ধ বাক্য
i) অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
=>অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
ii) আমি এ ঘটনা চাক্ষুস প্রত্যক্ষ করেছি।
=>আমি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি।
iii) তাঁর সৌজন্যতায় মুগ্ধ হয়েছি।
=>তাঁর সৌজন্যে মুগ্ধ হয়েছি।
iv) গীতাঞ্জলী একখানা কাব্যগ্রন্থ।
=>গীতাঞ্জলি একখানা কাব্যগ্রন্থ।
v) শুধুমাত্র গায়ের জোরে কাজ হয় না।
=>শুধু গায়ের জোরে কাজ হয় না।
vi) সকল ছাত্রগণ ক্লাসে উপস্থিত ছিল।
=>সকল ছাত্র ক্লাসে উপস্থিত ছিল।
vii) সে সভায় উপস্থিত ছিলেন।
=>তিনি সভায় উপস্থিত ছিলেন।
viii) সে আমার অধীনস্থ।
=>সে আমার অধীন।
অথবা, খ) অনুচ্ছেদটি শুদ্ধ করে লেখ:
মেয়েটি ভয়ানক মেধাবী ও বিনয়ী। তার মেধা পরিদর্শন করে সবাই মুগ্ধ। শিক্ষকবৃন্দ মনে করেন, আগামী ভবিষ্যতে সে অসামান্য সাফল্যতা বয়ে আনবে। যা ইতিপূর্বে এ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষে সম্ভব হয়নি।
শুদ্ধ অনুচ্ছেদ:
ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী ও বিনয়ী। তার মেধা প্রত্যক্ষ করে সবাই মুগ্ধ। শিক্ষকবৃন্দ মনে করেন, ভবিষ্যতে সে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করবে, যা ইতঃপূর্বে এ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীর পক্ষে সম্ভব হয়নি।
এইচএসসি ২০২৫ বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন ও সমাধান (নির্মিতি অংশ)
খ বিভাগ নির্মিতি
মান ৭০
৭। ক) যে কোনো দশটি শব্দের পারিভাষিক রূপ লেখ: ১০
প্রদত্ত শব্দ => পারিভাষিক রূপ
Bio-data=>জীবনবৃত্তান্ত
Dynamic=>গতিশীল
Adviser=>উপদেষ্টা
Constitution=>সংবিধান
Equation=>সমীকরণ
Famine=>দুর্ভিক্ষ
Hygiene=>স্বাস্থ্যবিদ্যা
Irrigation=>সেচ
Legend=>কিংবদন্তি
Memorandum=>স্মারকলিপি
Option=>ইচ্ছা
Reform=>সংস্কার
Subsidy=>ভর্তুকি
Tradition=>ঐতিহ্য
Viva-voce=>মৌখিক পরীক্ষা।
অথবা, খ) নিচের অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ কর:
Education is the backbone of a nation. No progress can be possible without education. Ignorance is like darkness. So the light of education is necessary for society. Everybody will have to appreciate this truth. Students both boys and girls must be conscious of their responsibility. Otherwise the nation will not be able to see the light of hope.
বঙ্গানুবাদ:
শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়। অজ্ঞতা অন্ধকারতুল্য। সমাজের জন্য তাই শিক্ষার আলো দরকার। প্রত্যেককে এই সত্য উপলব্ধি করতে হবে। ছাত্রছাত্রী উভয়কেই তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তা না হলে জাতি আশার আলো দেখতে সমর্থ হবে না।
৮। ক) তোমার মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনের স্মৃতি নিয়ে একটি দিনলিপি রচনা কর। ১০
অথবা, খ) তোমার কলেজের আইসিটি ল্যাবরেটরি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।
৯। ক) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে সচেতন করে ছোট ভাইকে একটি বৈদ্যুতিন চিঠি লেখ। ১০
অথবা, খ) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগ লাভের জন্য একটি আবেদনপত্র লেখ।
১০। ক) সারাংশ লেখ:
বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়। তাই, বারবার সেদিকে তাকানো প্রয়োজন। মাটির রস টেনে নিয়ে নিজেকে মোটাসোটা করে তোলাতেই বৃক্ষের কাজের সমাপ্তি নয়। তাকে ফুল ফোটাতে হয়, ফল ধরাতে হয়। নইলে তার জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তাই বৃক্ষকে সার্থকতার প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তা, সজীবতা ও সার্থকতার এমন জীবন্ত দৃষ্টান্ত আর নেই।
অথবা, খ) ভাব-সম্প্রসারণ কর:
মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়।
১১। ক) নারীশিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সংলাপ রচনা কর।
অথবা, খ) ‘মানুষ মানুষের জন্য’ শিরোনামে একটি খুদে গল্প লেখ।
১২। যে কোনো একটি বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা কর:
ক) স্বদেশ প্রেম
খ) মানব কল্যাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
গ) জাতীয় জীবনে অমর একুশের তাৎপর্য
ঘ) বাংলাদেশের পোশাক শিল্প
ঙ) জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশে এর প্রভাব।
(উপকৃত হলে কিংবা কনফিউশান থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন। ভুল ধরিয়ে দিতে পারলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকবেন)

Leave a Comment